বিজয়ী না হলেও ইমেইলে নোটিফিকেশন পাবেন।
প্রাচুর্য, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে যাত্রা শুরু করেছিলো। তখন থেকেই আমরা শুধুমাত্র বিজয়ীদেরকেই এসএমএস ও ই-মেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পাঠিয়ে আসছি। অনেক গ্রাহক আমাদের কাছে অনুরোধ করেছেন যে, বিজয়ী না হলেও তাদেরকেও নোটিফাই করা হোক। তাদের এই অনুরোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে, আমরা আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, আসন্ন ১১৬তম ড্র থেকে, যারা বিজয়ী হবেন না তাদেরকেও ই-মেইলের মাধ্যমে নোটিফাই করা হবে। বিজয়ীদের জন্য, পূর্ববর্তী নিয়ম অনুযায়ী এসএমএস ও ই-মেইলের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক নোটিফিকেশন অব্যাহত থাকবে।
আমাদের নতুন পদক্ষেপটি গ্রাহকদের কাছে বেশ কিছু স্পষ্ট ধারণা প্রদান করবে বলে আমরা আশা করি। এর মধ্যে রয়েছে:
➧ বিজয়ী না হলেও ই-মেইল নোটিফিকেশন পাওয়ার মাধ্যমে গ্রাহকরা নিশ্চিত হতে পারবেন যে প্রাচুর্য থেকে সকল প্রাইজবন্ড যথাযথভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। ই-মেইল নোটিফিকেশন গ্রাহকদের স্মরণ করিয়ে দেবে যে তারা কোন সার্ভিসের জন্য এনরোল করেছেন এবং তাদের প্রাইজবন্ডের স্ট্যাটাস সম্পর্কে অবগত থাকতে সাহায্য করবে।
➧ এটি গ্রাহকদের সাথে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করতে সাহায্য করবে।
➧ নিয়মিত নোটিফিকেশন এবং প্রাচুর্যের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করবে।
চ্যালেঞ্জঃ
প্রাইজবন্ডের তুলনায় বিজয়ীর সংখ্যা অনেক কম হওয়ায়, অল্প সংখ্যক বিজয়ীকে তাৎক্ষণিক এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানানো যতটা সহজ, বিপুল সংখ্যক অ-বিজয়ী গ্রাহককে নোটিফাই করা অনেক বেশি জটিল ও ব্যয়বহুল।
◑ এসএমএসের মাধ্যমে নোটিফাই: আমাদের এসএমএস সেবার জন্য প্রতি এসএমএসের একটি নির্দিষ্ট চার্জ রয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক অ-বিজয়ী গ্রাহককে তিন মাস পর পর এসএমএসের মাধ্যমে নোটিফাই করা একটি ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। গ্রাহকের কাছ থেকে যে সার্ভিস চার্জ গ্রহণ করা হয়, তা কেবল বিজয়ীদের নোটিফাই করার জন্যই প্রযোজ্য। বিজয়ী না হলে নোটিফিকেশনের জন্য কোনো চার্জ গ্রহণ করা হয় না। তাই লক্ষ লক্ষ গ্রাহককে বিজয়ী না হলেও এসএমএসের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পাঠানো আমাদের পক্ষে ব্যয়বহুল এবং বর্তমানে সম্ভব নয়।
◑ ই-মেইলের মাধ্যমে নোটিফাই: আগেই বলেছি, বিজয়ী গ্রাহকের চেয়ে অবিজয়ী গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ২১ হাজার গুণ বেশি। এত বিপুল সংখ্যক অবিজয়ী গ্রাহককে একসঙ্গে ই-মেইলে নোটিফাই করা আমাদের নিজস্ব সার্ভার থেকে সম্ভব নয়। এজন্য থার্ড-পার্টি ই-মেইল সার্ভারের সহায়তা নিতে হয়, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তাহলে কি আমরা অবিজয়ী গ্রাহকদের নোটিফাই করবো না? অবশ্যই নোটিফাই করা হবে। তবে, তা একসঙ্গে সবাইকে নয়, বরং ধাপে ধাপে করা হবে।
স্টেপ বাই স্টেপ ই-মেইল নোটিফিকেশনঃ এর মানে হলো, প্রতি মিনিটে কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক গ্রাহককে ই-মেইলের মাধ্যমে নোটিফাই করা হবে। ই-মেইল কার কাছে আগে যাবে তা আমরা একটি নির্দিষ্ট প্রায়োরিটি সেটিং অনুযায়ী নির্ধারণ করেছি।
✅ যাদের প্রোফাইলে প্রাইজবন্ডের সংখ্যা বেশি থাকবে, তাদের কাছে ই-মেইল নোটিফিকেশন আগে যাবে। এইভাবে ধারাবাহিকভাবে সবাইকে নোটিফাই করা হবে। ফলে, কেউ কেউ এক মাসের মধ্যে নোটিফিকেশন পেতে পারেন, আবার কারও ক্ষেত্রে দুই মাস বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।
এই সার্ভিস এভেইল করার জন্য দুইটি বিষয় অবশ্যই লাগবে
১। প্রোফাইলে ই-মেইল অ্যাড্রেস যথাযথ পুরুন থাকতে হবে।
২। ই-মেইল অ্যাড্রেস ভেরিফাই থাকতে হবে।
ইতিমধ্যে ১১৫তম ড্র'তে অবিজয়ী গ্রাহকদের পরীক্ষামূলকভাবে নোটিফিকেশন দেয়া শুরু হয়েছে। আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়ত নোটিফিকেশন পেতে শুরু করেছেন। যদি আপনি নোটিফিকেশন পেয়ে থাকেন, তবে দয়া করে কমেন্ট বক্সে জানান।
Latest Blog
একটি প্রচলিত ভুল ধারণা যে প্রতিটি ড্রয়ের পর পুরানো প্রাইজবন্ড অকার্যকর হয়ে যায় এবং নতুন প্রাইজবন্...
২১ অক্টোবর ২০২৪ ৪,৫১৪
প্রাইজবন্ডে কোনো নির্দিষ্ট হারে সুদ বা মুনাফা দেওয়া হয় না, বরং লটারির মাধ্যমে পুরস্কার জেতার সুযোগ থ...
০২ জুন ২০২৫ ২,৫২৪
বিজয়ী হলেন যারা ১১৯তম প্রাইজবন্ড ড্র'তে
৩০ এপ্রিল ২০২৫ ২৯,৩২৪
প্রাইজবন্ড কিনতে সাধারণত কোনো কাগজপত্র লাগে না, নগদ টাকায় কেনা যায়। বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি-বেসরকারি...
২৯ মে ২০২৫ ৪,১০৩
১৯৭৪ সালে ১০ টাকা ও ৫০টাকা মানের প্রাইজবন্ড চালু করা হয়েছিল কিন্তু ১৯৯৫ সালে ১০টাকা ও ৫০টাকার প্রাইজ...
১৭ মে ২০২৪ ৭,২৫১
প্রাইজবন্ড হলো একটি সঞ্চয় প্রকল্প, যেখানে বিনিয়োগকারীরা নির্দিষ্ট সময় অন্তর লটারির মাধ্যমে পুরস্ক...
২৭ জুলাই ২০২৪ ৪,০৪৮
প্রাইজবন্ডে বড় পুরস্কার জেতার সম্ভাবনা থাকলেও লাভের নিশ্চয়তা নেই। অন্যদিকে, সঞ্চয়পত্রে নিশ্চিত মু...
২১ আগষ্ট ২০২৫ ১,৯৮৯
নতুন না পুরাতন—কোন প্রাইজবন্ড কিনবেন? নতুন বন্ডে আছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, কিন্তু অপেক্ষা করতে হয় ড...
৩১ আগষ্ট ২০২৫ ২,৩৬৫
এই ড্র’তে নতুন করে “ঘগ” সিরিজটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার ফলে এবার ড্র’তে নতুন একটি প্রথম পুরস্কারস...
৩১ অক্টোবর ২০২৪ ৩৫,০৮১








