১১৯ তম প্রাইজবন্ড ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম পুরস্কার বিজয়ী ০২৬৪২৫৫
৩০শে এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ১১৯তম প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই ড্রয়ে প্রথমবারের মতো "ঘঘ" নামক নতুন একটি সিরিজ যুক্ত করা হয়েছে। এই নতুন সিরিজ যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে প্রাইজবন্ডের মোট সিরিজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২টিতে।
প্রতিটি সিরিজের জন্য বরাবরের মতো এবারও একটি প্রথম, একটি দ্বিতীয়, দুইটি তৃতীয়, দুইটি চতুর্থ এবং ৪০টি পঞ্চম পুরস্কারসহ মোট ৪৬টি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। ফলস্বরূপ, যেহেতু প্রতিটি সিরিজে একটি করে প্রথম পুরস্কার রয়েছে, তাই এবারের ড্রয়ে মোট ৮২ জন ভাগ্যবান প্রথম পুরস্কার বিজয়ী হয়েছেন। একটি সিরিজের ৪৬টি পুরস্কারের মোট অর্থমূল্য ১৬ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। সেই হিসেবে, ৮২টি সিরিজের মোট পুরস্কারের অর্থমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। তবে, নিয়ম অনুযায়ী, পুরস্কারের এই অর্থের উপর ২০% হারে আয়কর কর্তন করা হবে।
প্রাইজবন্ড জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঞ্চয় উপকরণ হলেও এর ক্রয়-বিক্রয়, ড্রয়ের আয়োজন এবং পুরস্কার বিতরণ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত, সরকার জনগণের কাছ থেকে প্রাইজবন্ডের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে এবং এই অর্থ জাতীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগ করে। এর বিনিময়ে সাধারণ জনগণ প্রতি তিন মাস অন্তর লটারির মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগ লাভ করে।
দেশের অসংখ্য মানুষ প্রতি তিন মাস অন্তর প্রাইজবন্ডের ড্রয়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন, হয়তো তাদের একটি নম্বরই এনে দেবে সেই কাঙ্ক্ষিত প্রথম পুরস্কার। পুরস্কার জেতার আনন্দ সত্যিই অন্যরকম।
যাদের কাছে অব্যবহৃত অর্থ রয়েছে, তাদের জন্য প্রাইজবন্ডে বিনিয়োগ একটি বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত হতে পারে। এটি একদিকে যেমন নিরাপদ সঞ্চয় নিশ্চিত করে, তেমনি অপ্রত্যাশিতভাবে আর্থিক পুরস্কার লাভের সুযোগও তৈরি করে। তবে, যারা নিয়মিত বিনিয়োগের মাধ্যমে আরও বেশি মুনাফা অর্জনের লক্ষ্য রাখেন, তাদের জন্য প্রাইজবন্ড সম্ভবত তেমন আকর্ষণীয় বিকল্প নয়।
এইবারের ড্রয়ে প্রথম পুরস্কার বিজয়ী নম্বরটি হলো ০২৬৪২৫৫।
Latest Blog
আমরা বিশ্বাস করি, একবার যদি আপনি আমাদের সার্ভিস ব্যবহার করে সন্তুষ্ট হন, তাহলে আপনিই কিন্তু নিঃস্বার...
৩০ জানুয়ারী ২০২৫ ৩,৫৩৮
প্রাইজবন্ড একটি বাহকী দলিল; বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ইস্যু হওয়ার পর যার কাছে থাকে, তিনি এর মালিক হন। আপ...
২৯ মে ২০২৪ ৪,৫৪১
প্রাইজবন্ড একবার কিনলে শুধু একবারই ড্র-এর আওতায় আসবে না। প্রাইজবন্ড হল বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পরিচা...
১৩ মে ২০২৪ ৬,৫২০
প্রাইজবন্ডকে লিকুইড ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যম হিসেবে ধরা হয়। তাই প্রাইজবন্ডের মালিকেরা এক ধরনের স্বাধীনত...
২৯ অক্টোবর ২০২৪ ৪,২০৩
সারাদেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০টি শাখা অফিস থেকে সারা বছর এবং যেকোনো সময় প্রাইজবন্ড কেনা যায়। এছাড়াও...
০৮ মে ২০২৪ ১১,৫৪৬
আপনার কাছে অলস টাকা পড়ে আছে, এবং ব্যাংকে রেখে সুদ খেতে চাইছেন না। তাহলে এই টাকা প্রাইজবন্ডে বিনিয়ো...
২২ মে ২০২৪ ৪,৫৮৪
সাইফ উদ্দীন রাজা, প্রাচুর্য ডট কমে তার প্রাইজবন্ডের নম্বর এন্ট্রি করার পর জানতে পারেন যে তিনি ১১৪তম...
০৩ জুন ২০২৪ ৮,১৫৮
প্রাইজবন্ডে বিনিয়োগে কিছু ঝুঁকি থাকলেও এটি একেবারে ঝুঁকিমুক্ত বলা যায় না। মূলধন সুরক্ষার দিক থেকে...
২০ আগষ্ট ২০২৪ ৩,৯৩৬
প্রাইজবন্ডের ড্র বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে 'ড্র' কমিটি কর্তৃক পরিচালিত হয়। ড্র অনুষ্ঠ...
০৭ মে ২০২৪ ৫,৪৬৩








