কিভাবে অনলাইনে প্রাইজবন্ড ক্রয় করা যায়?

এক দশক আগেও উপহার বা পুরস্কার হিসাবে প্রাইজবন্ডের ব্যবহার অনেক ছিল। মুদ্রাস্ফিতি বৃদ্ধির কারনে ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড অনেকের কাছেই মূল্যহীন হয়ে পড়েছে। শরিয়াভিত্তিক ইসলামী ব্যাংক ছাড়া যেকোন ব্যানিজ্যক ব্যাংক থেকে সরাসরি প্রাইজবন্ড কেনা যায়। তবে এক্ষেত্রে অভিযোগ আছে যে ব্যাংকগুলো প্রাইজবন্ড বিক্রয় করতে চায় না।

প্রাইজবন্ড বিক্রয়ে ব্যাংকের অনাগ্রহ কেন?

প্রাইজবন্ডের বিক্রয় মূল্য ১০০ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যানিজ্যক ব্যাংককে ১০০ টাকা দিয়েই প্রাইজবন্ড ক্রয় করতে হয়। ১০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করে ১০০ টাকাতে বিক্রয় করাতে ব্যাংকগুলোর কোন মুনাফা থাকে না। উপরোন্ত ব্যাংকের একজন কর্মকর্তাকে নিয়োজিত থাকতে হয়, এসবের স্টক মেইন্টেইন করা সহ যাবতীয় হিসাব নিকাশ করার কাজে। একদিকে মুনাফা ছাড়া প্রাইজবন্ড বিক্রয় করতে হয় অন্যদিকে বেতনভুক্ত একজন কর্মকর্তাকে নিয়োজিত রাখতে হয়, তাই হয়তবা এই অনাগ্রহ।

অনলাইনে প্রাইজবন্ড কেনা বেচার মার্কেট প্লেস

২০১৮ সালের আগ পর্যন্ত অনলাইনে প্রাইজবন্ড ক্রয় করার কোন ব্যবস্থা ছিল না। আমরাই সর্বপ্রথম এই ব্যাবস্থা চালু করি। এই প্লাটফর্মে যে কেহ ক্রয়াদেশ বা বিক্রয়াদেশ দিয়ে রাখতে পারবেন, যারা ক্রয়াদেশ বা বিক্রয়াদেশ দিয়ে রেখেছেন তাদের সাথে ফোনে বা এ-মেইলে যোগাযোগ করে কেনা বেচার প্রকিয়া সম্পন্ন করা যাবে। আমরা কোন প্রকার প্রাইজবন্ড ক্রয় বা বিক্রয় করি না, শুধুমাত্র ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সংযোগ ঘটিয়ে দেই। এই প্রক্রিয়াটি আমাদের একটি ভ্যালু আডেড সার্ভিসের অন্তরভুক্ত। তবে শর্তমতে যে কোন ভ্যালু আডেড সার্ভিস গ্রহনের জন্য সাইন আপ করা জরুরী। এই মার্কেট প্লেস চালুর পর থেকে আমরা অভূতপূর্ব সারা পেয়েছি জন সাধারনের মধ্যে। ভবিষ্যতে এই মার্কেট প্লেসকে আরো ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।


প্রাইজবন্ড সম্পর্কিত যত আলোচনা